← খবর

বাংলাদেশ থেকে মাল্টায় চাকরি: ভিসা, পারমিট ও খরচ (২০২৬)

BangladeshMaltaMalta

বাংলাদেশ থেকে মাল্টায় কাজ করার বাস্তব চিত্র

মাল্টা ভূমধ্যসাগরের একটি দ্বীপরাষ্ট্র, যেখানে ইউরো মুদ্রা ব্যবহৃত হয় এবং ইংরেজি অন্যতম সরকারি ভাষা। নির্মাণ, পর্যটন ও সেবা খাতে দ্রুত অর্থনৈতিক বৃদ্ধির কারণে মাল্টার কোম্পানিগুলো প্রায়ই বিদেশি দক্ষ কর্মীদের নিয়োগ দিয়ে থাকে। তবে শুরুতেই আপনার জেনে রাখা ভালো যে বাংলাদেশ থেকে মাল্টার ভিসার আবেদন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘ সময় লাগে। দক্ষিণ এশিয়া থেকে প্রতি বছর হাজার হাজার আবেদন জমা হওয়ায় মাল্টার সরকারি সংস্থায় বিশাল ব্যাকলগ তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়ায় প্রায়ই তিন থেকে ছয় মাস সময় লেগে যায়। আপনার যদি অবিলম্বে বিদেশে কাজ শুরু করার প্রয়োজন হয়, তবে রোমানিয়া বা ক্রোয়েশিয়ার মতো দেশগুলো সাধারণত দ্রুত কাজের অনুমতি দিয়ে থাকে। তবে আপনার যদি ধৈর্য থাকে এবং একজন বৈধ নিয়োগকর্তার চাকরির অফার থাকে, তবে মাল্টা আপনাকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকা ও কাজ করার একটি স্পষ্ট আইনি পথ প্রদান করে।

মাল্টা সিঙ্গেল পারমিট ব্যাখ্যা

বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে মাল্টায় আইনিভাবে কাজ করার জন্য আপনার একটি সিঙ্গেল পারমিট (Single Permit) প্রয়োজন। এই প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করে 'আইডেন্টিটা' (Identita), যা মাল্টায় বসবাস ও কাজের অনুমতির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি সংস্থা। এই সিঙ্গেল পারমিটটি আপনার কাজের অনুমতি এবং দেশে পৌঁছানোর পর আইনি বসবাসের কার্ড- উভয় হিসেবেই কাজ করে। এটি নির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরি একটি জাতীয় ওয়ার্ক রুট, যা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা বিশেষজ্ঞদের জন্য নির্ধারিত ইইউ ব্লু কার্ড (EU Blue Card) থেকে আলাদা।

সিঙ্গেল পারমিটের বিষয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো, মাল্টায় থাকা আপনার নিয়োগকর্তাকেই এই প্রক্রিয়াটি শুরু করতে হবে। নিয়োগকর্তা ছাড়া আপনি নিজে থেকে আবেদন করতে পারবেন না। নিয়োগকর্তা আইডেন্টিটার কাছে অনলাইনে একটি আবেদন জমা দেন। আইডেন্টিটা আবেদনটি অনুমোদন করলে তারা 'অ্যাপ্রুভাল ইন প্রিন্সিপল লেটার' (Approval in Principle Letter) নামে একটি অফিসিয়াল নথি জারি করে। আপনার নিয়োগকর্তা এই চিঠিটি পাওয়ার পর বাংলাদেশে আপনার কাছে পাঠালেই কেবল আপনি এন্ট্রি ভিসার আবেদন নিয়ে এগিয়ে যেতে পারবেন।

বাংলাদেশে কোথায় আবেদন করবেন

মাল্টা থেকে আপনার 'অ্যাপ্রুভাল ইন প্রিন্সিপল লেটার' পাওয়ার পর দেশটিতে প্রবেশের জন্য আপনাকে টাইপ ডি লং-স্টে (Type D Long-Stay) ভিসার আবেদন করতে হবে। বাংলাদেশে ভিসা আবেদনের কাজটি ঢাকার ভিএফএস গ্লোবাল (VFS Global) অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যা মাল্টা দূতাবাসের কাজ সম্পাদন করে।

আপনার পাসপোর্ট জমা দেওয়া, প্রয়োজনীয় নথি প্রদান, ভিসা ফি প্রদান এবং বায়োমেট্রিক তথ্য (আঙুলের ছাপ ও ডিজিটাল ছবি) দেওয়ার জন্য আপনাকে ঢাকার ভিএফএস সেন্টারে একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে। যেসব অনানুষ্ঠানিক দালাল বা এজেন্ট দাবি করে যে তারা আপনার পক্ষে নথি জমা দিতে পারবে বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট সিস্টেম এড়িয়ে যেতে পারবে, তাদের কখনো টাকা দেবেন না। সমস্ত অফিসিয়াল ভিসা আবেদন আপনার নিজেকেই সরাসরি অনুমোদিত অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং সত্যায়ন (Legalisation)

বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য সম্পূর্ণ এবং আসল কাগজপত্র জমা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাল্টা কর্তৃপক্ষ সত্যায়নহীন বা অসংযোজিত কাজের রেকর্ডসহ ফাইল সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে। জমা দেওয়ার আগে আপনাকে নিম্নলিখিত নথিগুলো প্রস্তুত করতে হবে:

  • বৈধ পাসপোর্ট: আপনার মূল পাসপোর্টে অন্তত দুটি ফাঁকা পৃষ্ঠা থাকতে হবে এবং আপনার পরিকল্পিত ভ্রমণের তারিখ থেকে কমপক্ষে ১২ থেকে ১৮ মাসের মেয়াদ থাকতে হবে।
  • অ্যাপ্রুভাল ইন প্রিন্সিপল লেটার: আইডেন্টিটা কর্তৃক আপনার মাল্টিজ নিয়োগকর্তাকে দেওয়া মূল ডিজিটাল নথি।
  • স্বাক্ষরিত চাকরির চুক্তিপত্র: আপনার পদ, কাজের সময় এবং বেতন উল্লেখ করে আপনি এবং মাল্টার নিয়োগকর্তা উভয়ের স্বাক্ষরিত একটি সম্পূর্ণ চাকরির চুক্তিপত্র।
  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট: বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক প্রদত্ত একটি অফিসিয়াল ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট। এই নথিটি ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (MOFA) দ্বারা যাচাই ও সত্যায়িত হতে হবে।
  • কাজের অভিজ্ঞতার প্রমাণ: আপনার নির্দিষ্ট পেশায় (যেমন ওয়েল্ডিং, ড্রাইভিং বা কেয়ারগিভিং) অভিজ্ঞতা রয়েছে তা প্রমাণ করার মতো সার্টিফিকেট, রেফারেন্স লেটার বা ট্রেড টেস্টের রেকর্ড।
  • মেডিকেল ফিটনেস সার্টিফিকেট: বাংলাদেশের একটি অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার থেকে সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট, যা নিশ্চিত করে যে আপনি সংক্রামক ব্যাধি মুক্ত।
  • ভ্রমণ স্বাস্থ্য বীমা: মাল্টায় আপনার শুরুর দিকের সময়ের জন্য জরুরি চিকিৎসা সেবা এবং হাসপাতালে ভর্তি কাভার করে এমন একটি বৈধ আন্তর্জাতিক বীমা পলিসি।

অফিসিয়াল ফি এবং বাংলাদেশে স্থানীয় খরচ

বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি প্রশাসনিক ফি এবং বাংলাদেশে ব্যক্তিগত প্রস্তুতির খরচ দুটোই জড়িত। সরকারি ফি পরিবর্তনের সাপেক্ষে পরিবর্তিত হতে পারে, তাই আবেদন করার আগে সঠিক সংখ্যার জন্য অফিসিয়াল উৎসগুলো যাচাই করে নিন।

  • আইডেন্টিটা পারমিট ফি: প্রায় ২৮০ ইউরো, যা মাল্টা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত। এই ফি সিঙ্গেল পারমিট আবেদনের প্রশাসনিক প্রসেসিং কাভার করে।
  • ভিসা এবং অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার ফি: আপনার টাইপ ডি এন্ট্রি ভিসা প্রসেসিংয়ের জন্য প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ ইউরো (ঢাকার ভিএফএস সেন্টারে বাংলাদেশি টাকায় পরিশোধযোগ্য)।
  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সত্যায়ন: ঢাকায় সরকারি নথি যাচাইকরণের জন্য প্রায় ৫০০ থেকে ১,৫০০ টাকা (প্রায় ৪ থেকে ১২ ইউরো)।
  • বাংলাদেশে মেডিকেল পরীক্ষা: অনুমোদিত ক্লিনিকের ওপর নির্ভর করে প্রায় ৬,০০০ থেকে ১২,০০০ টাকা (প্রায় ৪৫ থেকে ৯০ ইউরো)।
  • নথি অনুবাদ এবং কপি: ইংরেজি ব্যতীত অন্য ভাষার নথি ইংরেজিতে অনুবাদের জন্য প্রায় ৩,০০০ থেকে ৬,০০০ টাকা (প্রায় ২২ থেকে ৪৫ ইউরো)।
  • মাল্টায় একমুখী বিমান ভাড়া: এয়ারলাইন্স এবং সিজনের ওপর নির্ভর করে প্রায় ৬৫,০০০ থেকে ১১০,০০০ টাকা (প্রায় ৫০০ থেকে ৮৫০ ইউরো)।

ইউরোপীয় কর্মক্ষেত্রের মান এবং মাল্টিজ নিয়ম অনুসারে নিয়োগকর্তারা নিয়োগের খরচ এবং প্রাথমিক ফাইলিং ফি বহন করবেন বলে আশা করা হয়। বাংলাদেশে প্রতারক এজেন্সিগুলো প্রায়ই প্রসেসিং ফি হিসেবে কর্মীদের কাছ থেকে হাজার হাজার ইউরো দাবি করে। একটি চাকরির চুক্তির জন্য কর্মীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নেওয়া বেআইনি। আপনাকে আসল চাকরির অফার দেওয়ার আগে কোনো এজেন্সি যদি মোটা অঙ্কের নগদ টাকা দাবি করে তবে অত্যন্ত সতর্ক থাকুন।

মাল্টায় যেসব কাজের চাহিদা রয়েছে

মাল্টার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিতভাবে প্রধান কারিগরি ও সেবা খাতে বিদেশি কর্মীদের খুঁজে থাকে:

  • নির্মাণ ও বিল্ডিং ট্রেড: স্থানীয় ঠিকাদাররা আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন উন্নয়নের জন্য দক্ষ কাঠমিস্ত্রি, রাজমিস্ত্রি, স্টিল ফিক্সার এবং টাইলস মিস্ত্রি নিয়োগ করে।
  • হসপিটালিটি ও ক্যাটারিং: মাল্টার নিরবচ্ছিন্ন পর্যটন শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হোটেল, রিসোর্ট এবং রেস্তোরাঁগুলো লাইন কুক, কমি শেফ, ফুড সার্ভার এবং হাউসকিপিং স্টাফ নিয়োগ করে।
  • পরিবহন ও লজিস্টিকস: ডিস্ট্রিবিউশন ফার্ম এবং পরিবহন সরবরাহকারীরা বৈধ আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ বাণিজ্যিক ট্রাক ড্রাইভার, ডেলিভারি ভ্যান ড্রাইভার এবং গুদাম লজিস্টিকস কর্মী নিয়োগ করে।
  • স্বাস্থ্যসেবা ও প্রবীণদের যত্ন (Elder care): ব্যক্তিগত কেয়ার সেন্টার এবং নার্সিং হোমগুলো প্রবীণ নাগরিক এবং হাসপাতালের রোগীদের যত্ন নেওয়ার জন্য নিবেদিত কেয়ার অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগ করে।

ভুল ধারণা বনাম সঠিক তথ্য

  • ভুল ধারণা: আপনি স্বল্পমেয়াদী শেনগেন ট্যুরিস্ট ভিসায় মাল্টায় যেতে পারেন এবং পৌঁছানোর পর তা ওয়ার্ক পারমিটে রূপান্তর করতে পারেন।
    সঠিক তথ্য: আপনি মাল্টার ভেতরে ট্যুরিস্ট ভিসা আইনিভাবে ওয়ার্ক পারমিটে রূপান্তর করতে পারবেন না। দেশে প্রবেশের আগে আপনাকে অবশ্যই 'অ্যাপ্রুভাল ইন প্রিন্সিপল' চিঠি পেতে হবে এবং টাইপ ডি ওয়ার্ক ভিসা সংগ্রহ করতে হবে।
  • ভুল ধারণা: স্থানীয় মধ্যস্বত্বভোগীকে উচ্চ ফি দিলে মাল্টিজ ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার নিশ্চয়তা পাওয়া যায়।
    সঠিক তথ্য: কেবল আইডেন্টিটা এবং মাল্টিজ ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষই ওয়ার্ক পারমিট অনুমোদন করতে পারে। কোনো এজেন্সি বা বেসরকারি এজেন্ট ইতিবাচক সিদ্ধান্তের নিশ্চয়তা দিতে পারে না।
  • ভুল ধারণা: মাল্টায় কাজ করার জন্য আপনার ইংরেজি বলার কোনো প্রয়োজন নেই।
    সঠিক তথ্য: ইংরেজি মাল্টার একটি সরকারি ভাষা এবং নিয়োগকর্তাদের মৌলিক মৌখিক ইংরেজির প্রয়োজন হয় যাতে আপনি নিরাপত্তার নিয়ম বুঝতে পারেন, কাজের আদেশ অনুসরণ করতে পারেন এবং সহকর্মীদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
  • ভুল ধারণা: আপনার ভিসা নিয়ে মাল্টায় নামার সাথে সাথেই আপনি কাজ শুরু করতে পারেন।
    সঠিক তথ্য: মাল্টায় নামার পর আপনার নিয়মিত ডিউটি শুরু করার আগে আপনার সাময়িক রেসিডেন্ট কার্ড পেতে আইডেন্টিটা অফিসে চূড়ান্ত অনবোর্ড রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে।

স্বাক্ষর করার আগে করণীয়

কোনো অফারে স্বাক্ষর করার বা ভ্রমণের জন্য অর্থ প্রদান করার আগে এই নিরাপত্তা চেকলিস্টটি দেখে আপনার অধিকার এবং বিনিয়োগ রক্ষা করুন:

  • নিয়োগকর্তার বিবরণ যাচাই করুন: মাল্টিজ কোম্পানিটি সক্রিয় অফিসের ঠিকানা এবং টেলিফোন যোগাযোগসহ মাল্টায় একটি আসল ও নিবন্ধিত ব্যবসা কিনা তা নিশ্চিত করুন।
  • চুক্তির প্রতিটি ধারা পড়ুন: সহজ ইংরেজিতে নথিতে আপনার কর্মঘণ্টা, নির্দিষ্ট মাসিক বেতন, ওভারটাইম হার এবং ছুটির দিনগুলো উল্লেখ করা আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।
  • অ্যাপ্রুভাল ইন প্রিন্সিপল চেক করুন: আইডেন্টিটার অফিসিয়াল অনুমোদনপত্রের একটি কপি চান এবং আপনার নাম ও পাসপোর্ট নম্বর নথির সাথে হুবহু মিলছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।
  • অফিসিয়াল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সত্যায়ন নিন: আপনার বাংলাদেশের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এবং সংশ্লিষ্ট ট্রেড সার্টিফিকেটগুলো ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দ্বারা যাচাই করা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।
  • আপনার নিজস্ব পাসপোর্ট এবং মূল নথি নিজের কাছে রাখুন: আপনার মূল পাসপোর্ট, জন্ম নিবন্ধন সনদ বা ট্রেড ডিপ্লোমা কখনো কোনো দালাল বা রিক্রুটিং এজেন্টের কাছে সমর্পণ করবেন না।

Workuro-তে আপনার প্রোফাইল তৈরি করুন

আপনি যদি মাল্টায় চাকরির খোঁজে প্রস্তুত একজন বাংলাদেশি কর্মী হন, তবে Workuro-তে একটি সম্পূর্ণ প্রোফাইল তৈরি করুন। আপনার নিখুঁত ট্রেড স্কিল, বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা, বর্তমান পাসপোর্টের মেয়াদ এবং ইংরেজি দক্ষতার স্তর তালিকাভুক্ত করতে ভুলবেন না। এই বিবরণগুলো আপডেট করা থাকলে বৈধ ইউরোপীয় নিয়োগকর্তারা মধ্যস্বত্বভোগীদের হস্তক্ষেপ ছাড়াই আপনাকে সরাসরি খুঁজে পেতে পারেন।

Workuro কর্মীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে - নিয়োগকর্তারা নিবন্ধনে অনুসন্ধান করার জন্য অর্থ প্রদান করেন এবং চাকরির জন্য কেউ আপনার কাছ থেকে টাকা দাবি করতে পারবে না।

নিয়োগকর্তাদের নজরে আসতে প্রস্তুত?

২ মিনিটে আপনার প্রোফাইল তৈরি করুন। ফ্রি, কোনো ক্রেডিট কার্ড লাগবে না।

আপনি কী কাজ করেন?
যেকোনো পেশা। যেকোনো দেশ।
PDF বা ছবি। আমরা এটি পড়ে নেব যাতে আপনাকে টাইপ করতে না হয়।

ইউরোপের নজরে আসতে প্রস্তুত তো?

মাত্র ২ মিনিটে আপনার প্রোফাইল তৈরি করুন। সম্পূর্ণ ফ্রি, কোনো ক্রেডিট কার্ড লাগবে না। কে আপনার সাথে যোগাযোগ করবে তা আপনিই ঠিক করবেন।

আপনার প্রোফাইল তৈরি করুন